Some Populer Post

Latest News

হিউস্টনে তিন সংগঠনের দুর্গোৎসবে বাঙালির মিলনমেলা | হিউস্টনে দুর্গোৎসব: দুর্গাবাড়িতে ভক্তি, বাঙালিয়ানা ও সংস্কৃতির মহামিলন | টেক্সাসের পাঁচ বড় কাউন্টিতে আগাম ভোটে রেকর্ড, প্রথম দিনেই ভোট দিলেন লাখ লাখ মানুষ | বাংলাদেশে দুর্গাপূজা ২০২৬: সরকারি সহায়তা, ব্যাপক নিরাপত্তা ও সম্প্রীতির বার্তায় শারদোৎসব | নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে দুর্গোৎসবের উন্মাদনা, প্রতিকূল আবহাওয়াতেও জমজমাট বাঙালির মিলনমেলা | হিউস্টনে তিন সংগঠনের দুর্গোৎসবে বাঙালির মিলনমেলা | হিউস্টনে দুর্গোৎসব: দুর্গাবাড়িতে ভক্তি, বাঙালিয়ানা ও সংস্কৃতির মহামিলন | টেক্সাসের পাঁচ বড় কাউন্টিতে আগাম ভোটে রেকর্ড, প্রথম দিনেই ভোট দিলেন লাখ লাখ মানুষ | বাংলাদেশে দুর্গাপূজা ২০২৬: সরকারি সহায়তা, ব্যাপক নিরাপত্তা ও সম্প্রীতির বার্তায় শারদোৎসব | নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে দুর্গোৎসবের উন্মাদনা, প্রতিকূল আবহাওয়াতেও জমজমাট বাঙালির মিলনমেলা |
  • Home  
  • হিউস্টনে দুর্গোৎসব: দুর্গাবাড়িতে ভক্তি, বাঙালিয়ানা ও সংস্কৃতির মহামিলন
- ধর্ম

হিউস্টনে দুর্গোৎসব: দুর্গাবাড়িতে ভক্তি, বাঙালিয়ানা ও সংস্কৃতির মহামিলন

হাজারো প্রবাসী বাঙালির মিলনমেলায় শারদোৎসব; পূজার্চনা, ভোগ, সংগীত ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর Houston Durgabari Society সুরাঙ্গন নিউজ ডেস্ক | হিউস্টন, টেক্সাস: প্রবাসের মাটিতে শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি হয়ে ওঠে শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ, বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ঐতিহ্য পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য উপলক্ষ। সেই আবেগ ও ঐতিহ্যেরই […]

হাজারো প্রবাসী বাঙালির মিলনমেলায় শারদোৎসব; পূজার্চনা, ভোগ, সংগীত ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর Houston Durgabari Society

সুরাঙ্গন নিউজ ডেস্ক | হিউস্টন, টেক্সাস: প্রবাসের মাটিতে শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি হয়ে ওঠে শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ, বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ঐতিহ্য পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য উপলক্ষ। সেই আবেগ ও ঐতিহ্যেরই প্রতিফলন দেখা যায় টেক্সাসের হিউস্টনে Houston Durgabari Society (HDBS)-এর ২০২৬ সালের দুর্গোৎসবে। পূজার্চনা, পুষ্পাঞ্জলি, আরতি, ভোগ বিতরণ, সংগীত, নৃত্য, নাট্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং প্রবাসী বাঙালিদের পারস্পরিক মিলন – সব মিলিয়ে দুর্গাবাড়ির শারদোৎসব হিউস্টনের বাঙালি সমাজের অন্যতম প্রধান বার্ষিক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে পরিণত হয়েছে।

এ বছর দুর্গাবাড়িতে মহালয়ার অনুষ্ঠান ও আনন্দমেলার মধ্য দিয়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী থেকে ২০ অক্টোবর দশমী পর্যন্ত চলে দুর্গাপূজার প্রধান পর্ব। প্রকাশিত অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বিজয়া সম্মিলনী এবং ২৫ অক্টোবর কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা। ফলে মূল পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও উৎসবের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিসর আরও কয়েক দিন বিস্তৃত থাকছে।

পূজার্চনা ও ভক্তির আবহে শারদীয় আয়োজন

দুর্গাবাড়ির দুর্গোৎসবের সূচনা হয় মহালয়ার বিভিন্ন আচার, তর্পণ এবং মহিষাসুরমর্দিনী পাঠ ও সংগীতের মধ্য দিয়ে। ১১ অক্টোবরের মহালয়া অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয় আনন্দমেলা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় দেবীর বোধন ও আরতি। পরদিন মহাষষ্ঠীর পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল উৎসবের পর্ব।

সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীর বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে ভক্তদের অংশগ্রহণের ব্যবস্থা রাখা হয়। কলাবউ স্নান, পুষ্পাঞ্জলি, সন্ধ্যারতি, ভোগ বিতরণ এবং অন্যান্য ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পূজার পরিবেশকে ভক্তিময় করে তোলে। মহাষ্টমীর সন্ধিপূজাও ছিল এবারের আয়োজনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় পর্ব।

প্রবাসে বসবাসকারী বহু বাঙালির কাছে এই পূজা কেবল দেবী আরাধনার উপলক্ষ নয়; এটি শৈশবের স্মৃতি, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং বাংলার উৎসবমুখর পরিবেশকে আবারও অনুভব করার সুযোগ। পরিবার-পরিজন, বন্ধু ও পরিচিতদের সঙ্গে মণ্ডপে মিলিত হওয়া এবং একসঙ্গে পূজার আচার পালন প্রবাসী জীবনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

এবারের দুর্গোৎসব পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন পূজা কমিটির চেয়ারম্যান সৌভিক ঘোষ (Souvik Ghose)। সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পিয়ালি চ্যাটার্জি (Piyali Chatterjee) ও রাজ সেন (Raj Sen)। কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন ধ্রুব ঘোষ (Dhruba Ghose) ও সুজয় কাহালি (Sujay Kahali)।

ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনায় পুরোহিতমণ্ডলীর নেতৃত্ব দেন প্রধান পুরোহিত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadev Bhattachariya)। তাঁর সঙ্গে পূজার বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় যুক্ত ছিলেন অমৃত আচারী, জয়দেব গোস্বামী, পার্থসারথি চ্যাটার্জি, সুভাষিস মল্লিক ও রণদীপ গাঙ্গুলি।

আয়োজনের নেপথ্যে স্বেচ্ছাসেবকদের নিরলস পরিশ্রম

এত বৃহৎ ও সুশৃঙ্খল দুর্গোৎসবের নেপথ্যে ছিল কয়েক মাসের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি এবং প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবকের নিরলস পরিশ্রম। দুর্গাবাড়ির সভাপতি সন্দীপ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে কার্যনির্বাহী পর্ষদ ও পূজা কমিটি পুরো আয়োজন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, সার্বিক ব্যবস্থাপনা, অতিথি আপ্যায়ন, যাতায়াত, খাদ্য পরিবেশন, নিরাপত্তা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো বিভিন্ন দায়িত্ব স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সুসমন্বয়ের ফলে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী ও ভক্তের উপস্থিতিতেও উৎসবের প্রতিটি পর্ব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়।

প্রবাসে বাঙালির ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার সংরক্ষণে এই সম্মিলিত উদ্যোগ হিউস্টনের বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য, নিষ্ঠা ও সাংগঠনিক দক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকদের এই নিষ্ঠা প্রমাণ করে, একটি বৃহৎ কমিউনিটি উৎসব সফল করে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ ও দায়িত্ববোধ কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

দুর্গাবাড়ির দুর্গোৎসবে ভারতের কনসাল জেনারেল

হিউস্টনের দুর্গাবাড়িতে ১৬ অক্টোবর ২০২৬ অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনে উপস্থিত ছিলেন হিউস্টনে ভারতের কনসাল জেনারেল ডি. সি. মঞ্জুনাথ (D. C. Manjunath)। তিনি অনুষ্ঠানে সমবেত প্রবাসী ভারতীয়দের শুভেচ্ছা জানান এবং হিউস্টনে ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ধর্মীয়-সামাজিক পরম্পরা সংরক্ষণ ও প্রসারে আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

তাঁর উপস্থিতি দুর্গোৎসবের আনন্দঘন পরিবেশে বিশেষ মাত্রা যোগ করে। অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী ভারতীয়, বিভিন্ন পরিবারের সদস্য এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রবাসে ভারতীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি হিউস্টনের বহুসাংস্কৃতিক সমাজে দুর্গোৎসবের গুরুত্বও তুলে ধরে।

সংগীত, নৃত্য ও সংস্কৃতির বর্ণিল পরিবেশনা

Houston Durgabari Society-র দুর্গোৎসবের অন্যতম আকর্ষণ এর বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি বাংলা গান, নৃত্য, ফ্যাশন শো, স্মৃতিচারণ ও বিনোদনমূলক পরিবেশনা উৎসবকে বহুমাত্রিক করে তোলে।

এবারের অনুষ্ঠানসূচিতে ছিল ‘ঠাকুরবাড়ির ঘরে-বাইরে’ শীর্ষক ফ্যাশন শো এবং মহানায়ক উত্তমকুমারকে ঘিরে ‘এক যে ছিল নায়ক’ নামের বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সংগীতানুষ্ঠানে অংশ নেন অঙ্কিতা ভট্টাচার্য ও শুভদীপ দাস চৌধুরী। সপ্তমীর রাতে সংগীত পরিবেশন করেন বলিউডের পরিচিত কণ্ঠশিল্পী মহালক্ষ্মী আইয়ার ও সৌরভ দাস। মহাষষ্ঠীর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় ‘Musical Journey Along Silk Route’ শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান। অন্যদিকে, মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় আয়োজিত হয় ‘Saat Ronger Saat Paak’ শীর্ষক অনুষ্ঠান।

অষ্টমীর অনুষ্ঠানে বিশেষ স্থান পায় ‘পঞ্চকবির মননে রসবোধ’ শীর্ষক পরিবেশনা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অতুলপ্রসাদ সেন ও রজনীকান্ত সেন – বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের এই পাঁচ বিশিষ্ট স্রষ্টার রচনা ও সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনুষ্ঠান প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংগীতের ঐতিহ্যকে নতুন করে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করে।

পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের Alo Amar (Youth Orchestra) পরিবেশনা এবং প্রবীণদের স্মৃতিচারণমূলক ‘বড়োদের আড্ডা’ প্রবাসী সমাজের বিভিন্ন প্রজন্মকে একই সাংস্কৃতিক পরিসরে যুক্ত করার একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ।

প্রবাসে নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালি ঐতিহ্য

হিউস্টনের মতো বহুজাতিক শহরে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের কাছে দুর্গাপূজা বাংলা ভাষা, সংগীত, সাহিত্য ও সামাজিক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। পূজার মণ্ডপ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পারিবারিক অংশগ্রহণ এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তারা বাঙালি সংস্কৃতির নানা দিক প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পায়।

দুর্গাবাড়ির অনুষ্ঠানসূচিতে নতুন প্রজন্মের পরিবেশনার পাশাপাশি প্রবীণদের অংশগ্রহণের ব্যবস্থাও রয়েছে। এই আন্তঃপ্রজন্ম সংযোগ প্রবাসী সমাজে সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বাংলা গান, কবিতা, নৃত্য ও নাটকের চর্চা শুধু বিনোদন নয়; এগুলো ভাষা ও ঐতিহ্যের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলারও মাধ্যম।

প্রবাসী বাঙালির মিলনমেলা

হিউস্টন দুর্গাবাড়ির দুর্গোৎসব স্থানীয় বাঙালি সমাজের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৃহত্তর প্রবাসী বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন পরিবার, পেশাজীবী, শিক্ষার্থী এবং আশপাশের এলাকা থেকে আগত দর্শনার্থীরা এই উৎসবে অংশ নেন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই আয়োজন হিউস্টনের বাঙালি সম্প্রদায়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিয়েছে।

দুর্গাবাড়ির পূজার সঙ্গে যুক্ত ভোগ ও খাবারের আয়োজন, পরিচিতজনদের সঙ্গে পুনর্মিলন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উৎসবকে একটি বৃহত্তর সামাজিক সমাবেশে পরিণত করে। প্রবাসে বসবাসকারী অনেকের কাছে এই কয়েকটি দিন পরিচিত মানুষের সঙ্গে দেখা করা, নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং বাংলা সংস্কৃতির আবহে সময় কাটানোর বিশেষ সুযোগ।

হিউস্টন দুর্গাবাড়ির দুর্গাপূজা উত্তর আমেরিকায় প্রবাসী বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরার ক্ষেত্রেও পরিচিতি অর্জন করেছে। আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই পূজা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান’ অর্জন করেছে বলে উল্লেখ করা হয়। তবে স্বীকৃতির নির্দিষ্ট বছর ও বিভাগ প্রকাশের আগে যাচাই করা প্রয়োজন।

২৪ অক্টোবর বিজয়া সম্মিলনী, ২৫ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজা

মূল পূজার পরও দুর্গাবাড়ির উৎসবের আবহ বজায় থাকবে। প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, শনিবার, ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বিজয়া সম্মিলনী। বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে অপরাজিতা পূজা, বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে বিসর্জন ও সিঁদুরখেলার আয়োজন রয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে থাকবে ধুনুচি নাচ। রাত ১০টায় সংগীত পরিবেশন করবেন মিস জোজো। পাশাপাশি রাতের খাবার ও সামাজিক মিলনমেলার ব্যবস্থাও রয়েছে।

পরদিন, রবিবার ২৫ অক্টোবর, সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা। এদিন পুষ্পাঞ্জলি, ভোগ ও আরতিরও আয়োজন রয়েছে। অর্থাৎ, দুর্গোৎসবের প্রধান ধর্মীয় পর্ব শেষ হলেও ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য উৎসবের ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে।

প্রবাসের মাটিতে শিকড়ের টান

হিউস্টন দুর্গাবাড়ির দুর্গোৎসব প্রমাণ করে, ভৌগোলিক দূরত্ব বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের টানকে ম্লান করতে পারে না। পূজার মণ্ডপে ভক্তির আবহ, সাংস্কৃতিক মঞ্চে বাংলা গান ও কবিতার পরিবেশনা এবং পরিবার-পরিজনের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আনন্দ- সব মিলিয়ে এই উৎসব প্রবাসী জীবনে বাংলার এক টুকরো আবহ তৈরি করে।

একই সঙ্গে এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্য পৌঁছে দেওয়া, বিভিন্ন প্রজন্মের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিবেশ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করে।

দুর্গাবাড়ির শারদোৎসব তাই শুধু কয়েক দিনের পূজা নয়; এটি হিউস্টনের বাঙালি সমাজের ঐক্য, সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং প্রবাসের মাটিতে বাংলা ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতিচ্ছবি। দেবী দুর্গার আরাধনার মধ্য দিয়ে ভক্তরা যেমন মঙ্গল ও শান্তির প্রার্থনা করেন, তেমনি এই উৎসবের সামাজিক তাৎপর্যও হয়ে ওঠে সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব এবং আগামী প্রজন্মের জন্য সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার সংরক্ষণের অঙ্গীকার।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Surangan News

‘Surangan News’ is a leading Bengali-language news publication serving the Indo-Bangla and broader South Asian communities across Texas and beyond. Now in its ninth year, Surangan News delivers comprehensive coverage of local, national, and international news, with a strong focus on the Greater Houston community. Through its print and digital platforms, Surangan News connects readers with the news, culture, and stories that matter to them.

Why Surangan News?

@ Reaching more than 100,000 readers across Texas, according to our publication’s audience estimates.

@ A trusted source of news and information for the Houston Bengali and South Asian communities.

  • @ 5,000 copies published every two months.
  • @ In-depth reporting on local and global affairs, community events, and issues affecting Indo-Bangla communities.
  • @ Promote your business through print advertising and our online news platform.

Subscribe: Surangan News

Editor

Dr. Pradip Ghosh

Assistant Editor (English)

Pritha Ghosh

Editorial Advisors

Khaled Z. Khan, Dr. Swapan Dasgupta, Zulfiqar Karni, Mustafa R Rahman, Sheikh Ahad

Contact

Head Office: 

17714 Strolling Stream Ln, Richmond, Texas 77407
Phone: 832-274-6823
Email: info@surangannews.com
Website: www.surangannews.com

For Advertising Inquiries: 

pghosh38@yahoo.com

Published by  Surangan Foundation, Houston, Texas

© 2026 Surangan Media. All Rights Reserved

© 2026 Surangan News – Houston | Developed By Modern Web Solution