পাসপোর্ট, নো ভিসা রিকোয়ার্ডসহ বিভিন্ন সেবা পেলেন এক হাজারেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি
সুরাঙ্গন নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দোরগোড়ায় কনস্যুলার সেবা পৌঁছে দিতে দুই দিনব্যাপী বিশেষ মোবাইল কনস্যুলার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। ২০২৬ সালের ৩১ অক্টোবর ও ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে এক হাজারেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন ধরনের কনস্যুলার সেবা গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে এবং হিউস্টনের স্থানীয় বাংলাদেশি সংগঠনগুলোর সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দূতাবাসের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর শনিবার বাংলাদেশ আমেরিকান সোসাইটি অব গ্রেটার হিউস্টন (BASGH)-এর সহযোগিতায় সুগারল্যান্ডের ১৬৬১৪ অ্যালিস ফস্টার স্ট্রিটে প্রথম দিনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
পরদিন ১ নভেম্বর, রবিবার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন, হিউস্টনের (BAH) সহযোগিতায় ১৩৪১৫ রেন রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ-আমেরিকান সেন্টারে দ্বিতীয় দিনের সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রবাসীদের বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়।

এই দুই দিনের কর্মসূচিতে ই-পাসপোর্টের আবেদনসংক্রান্ত বায়োমেট্রিক তথ্য গ্রহণ, নো ভিসা রিকোয়ার্ড (NVR), পাওয়ার অব অ্যাটর্নি এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় নথি সত্যায়নসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা অন্তর্ভুক্ত ছিল। ই-পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদানের জন্য আবেদনকারীদের আগেই অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করতে হয়েছিল।
আয়োজক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুই দিনের কার্যক্রমে এক হাজারেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশিকে সেবা প্রদান করা হয়েছে। সংগঠন দুটি প্রতিবছরই প্রবাসীদের কল্যাণে এ ধরনের সেবামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।
প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য মোবাইল কনস্যুলার সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাসপোর্ট নবায়ন, বাংলাদেশে যাতায়াতের প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক নথি সংক্রান্ত কাজে অনেক প্রবাসীকে দূরবর্তী ওয়াশিংটন ডিসিতে যেতে হয়। হিউস্টনের মতো বড় প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকায় সরাসরি এ ধরনের সেবা চালু থাকায় তাঁদের সময়, অর্থ ও যাতায়াতের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

হিউস্টন ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে এ উদ্যোগ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। প্রবাসীদের নাগরিক ও প্রশাসনিক প্রয়োজন পূরণের পাশাপাশি এ ধরনের কার্যক্রম বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।


