সুরাঙ্গন নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেইড কর্মসূচিতে নতুন কর্মসংক্রান্ত শর্ত ও ছয় মাস পরপর যোগ্যতা যাচাইয়ের বিধান কার্যকর হলে ২০২৮ সালের মধ্যে ১৯ থেকে ২৪ বছর বয়সী সর্বোচ্চ ২৩ লাখ তরুণের কাভারেজ কমতে পারে বলে আরবান ইনস্টিটিউটের এক বিশ্লেষণে অনুমান করা হয়েছে।
নতুন ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট অনুযায়ী, মেডিকেইড সম্প্রসারণভুক্ত স্টেটগুলোর নির্দিষ্ট প্রাপ্তবয়স্কদের কাভারেজ ধরে রাখতে মাসে ৮০ ঘণ্টা কাজ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ বা অনুমোদিত স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে যুক্ত থাকার শর্ত পূরণ করতে হবে। যোগ্যতা যাচাইও বছরে একবারের পরিবর্তে ছয় মাস পরপর হবে।
আরবান ইনস্টিটিউটের হিসাবে, ১৯–২৪ বছর বয়সী মেডিকেইড সম্প্রসারণভুক্ত তরুণদের প্রায় ৮৮ শতাংশ বর্তমানে কর্মশর্ত পূরণ করেন অথবা নির্ধারিত ছাড়ের আওতায় পড়তে পারেন। তবে কাজ, পড়াশোনা বা ছাড়ের যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সব ক্ষেত্রে স্টেটগুলোর কাছে সহজে নাও থাকতে পারে।
বিশ্লেষণে দুই ধরনের সম্ভাব্য পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। তথ্য যাচাই ও যোগাযোগব্যবস্থা কার্যকর হলে তরুণদের মেডিকেইড সম্প্রসারণভুক্তি প্রায় ২২ শতাংশ কমে প্রায় ১১ লাখ মানুষ কাভারেজ হারাতে পারেন। আর নথিপত্রের ওপর বেশি নির্ভরতা ও সীমিত যোগাযোগব্যবস্থা থাকলে এই হার ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা প্রায় ২৩ লাখ তরুণের সমান।
হেলথকেয়ার ডাইভের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তরুণদের খণ্ডকালীন বা গিগ কাজ, পড়াশোনা এবং ঘন ঘন বাসস্থান পরিবর্তনের কারণে যোগ্যতা যাচাই জটিল হতে পারে।
সেন্টারস ফর মেডিকেয়ার অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেসের অন্তর্বর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন কর্মশর্ত ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। তবে বাস্তবে কতজন কাভারেজ হারাবেন, তা স্টেটগুলোর তথ্য যাচাই, ছাড় প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন পদ্ধতির ওপর নির্ভর করবে।


