প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার শিক্ষার্থী পেয়েছে সহায়তা, অপেক্ষমাণ তালিকায় আরও ১ লাখ ৬ হাজার পরিবার
সুরাঙ্গন নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক: টেক্সাসে বেসরকারি স্কুল ও হোমস্কুলিংয়ের জন্য করদাতাদের অর্থে পরিচালিত স্কুল ভাউচার কর্মসূচির বরাদ্দ দ্বিগুণ করে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি করার প্রস্তাব দিয়েছেন রাজ্যের কম্পট্রোলার ডন হাফিন্স। আগামী ২০২৮ – ২৯ অর্থবছরের দুই বছরের বাজেটের জন্য দেওয়া প্রস্তাবে কর্মসূচিটির মূল বরাদ্দে অতিরিক্ত ১ বিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়েছে।
কম্পট্রোলারের কার্যালয় জানিয়েছে, বর্তমানে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী এবং অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা পরিবারের সংখ্যা বিবেচনা করেই অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হয়েছে। রাজ্য আইনের আওতায় এই হিসাব করা হয়েছে।
চলতি শিক্ষাবর্ষে চালু হওয়া কর্মসূচিতে বেসরকারি স্কুলে পড়া একটি শিশুর পরিবার বছরে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত এবং হোমস্কুলিং করা শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ২ হাজার ডলার পেতে পারে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার শিক্ষার্থী কর্মসূচিটির অর্থ পেয়েছে। অন্যদিকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছে ১ লাখ ৬ হাজারের বেশি পরিবার। কম্পট্রোলারের কার্যালয় বলেছে, কর্মসূচি সম্পর্কে প্রচার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে।

প্রস্তাবে বর্তমানে অংশ নেওয়া পরিবারগুলোর জন্য অতিরিক্ত ২২৬ মিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়েছে। বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন মেটাতে এই অর্থের একটি অংশ ব্যবহার করা হবে। কর্মকর্তাদের ধারণা, আগামী বছর প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় বিশেষ শিক্ষা-সংক্রান্ত নথিপত্র সম্পন্ন করতে পারে এবং অতিরিক্ত অর্থ পাওয়ার যোগ্য হতে পারে। তবে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাবের সমালোচনা করেছে টেক্সাস স্টেট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির মতে, সরকারি স্কুলগুলো যখন বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় বিভিন্ন কর্মসূচি কমাচ্ছে বা ক্যাম্পাস বন্ধ করছে, তখন বেসরকারি ও ধর্মীয় স্কুলে করদাতাদের অর্থ দেওয়ার পরিমাণ বাড়ানো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ভাউচার কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া বা আমন্ত্রণের অপেক্ষায় থাকা পরিবারের প্রায় ৭০ শতাংশ শিশু ইতোমধ্যে বেসরকারি স্কুলে পড়ত অথবা হোমস্কুলিং করত। ২০২৬ -২৭ অর্থবছরের দুই বছরের বাজেটে কর্মসূচিটির ব্যয় ১ বিলিয়ন ডলারে সীমাবদ্ধ ছিল। তবে আইনসভা-সংশ্লিষ্ট বাজেট বিশ্লেষণে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে এই ব্যয় প্রায় ৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।


